Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে ১৯৮৯ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরকে পরিবেশ সুরক্ষা, পরিবেশ ‍উন্নয়ন ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্ষমতা, কর্তৃত্বও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

 

ভিশনঃ২০১২ সালের মধ্যে দূষণমুক্ত বসবাসযোগ্য একটি সুস্থ,সুন্দর ও মডেল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

 

মিশনঃবর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ,সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে-

১)পরিবেশগত বিধি-বিধানের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ আইন অনুসরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্বুদ্ধকরণ;

২)পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিতকরণ।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

•পরিবেশ সংরক্ষণ ও ‍উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণ ও সার্বিক ‍উন্নয়ন।

•সকল প্রকার দূষণ ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ।

•সকল ক্ষেত্রে পরিবেশসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ।

•সকল প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই,দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশসম্মত ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধান।

•পরিবেশ সংক্রান্ত সকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সাথে সক্রিয় অংশগ্রহণ।

•জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্য়োগমোকাবেলায় অভিযোজন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

 

পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে যে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলঃ-

১) শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষণ জরীপ,  দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট          প্রতিষ্ঠানকে উদবুদ্ধকরন/ বাধ্য করা এবং প্রয়োজন অনুসারে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও পরিবেশ আদালতে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

২)নতুন স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান  শিল্প কারখানার/প্রকল্পের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক পরিবেশগত ছাড়পত্রপ্রদান ;

৩) সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ই আইএ) প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং ইআইএ সম্পন্ন করার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান;

৪) পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহন এবং তা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা, নির্বিচারে পাহাড় কর্তন রোধ,যানবাহন জরীপ এবং দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা;

৫)বায়ু ও পানির গুনগত মান পরিবীক্ষন, গবেষণাগারে বায়ু, পানি ও তরল বর্জ্যের নমুনা বিস্লেশন;

৬)দেশের বিভিন্ন এলাকার নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, ডাটা সংরক্ষন প্রতিবেদন প্রেরন,

৭)পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন,চুক্তি ও প্রোটোকলের দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ,

 ৮) জল বায়ু পরিবর্তন জনিত প্রভাব মোকাবেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যক্রম গ্রহণ ও

    বাস্তবায়ন

৯) দেশের জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীব নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যক্রম গ্রহণ,

১০) বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থেরআমদানী,পরিবহন,ব্যবহার,ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রমে        গ্রহণ,

১১) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী নিয়ন্ত্রন,

১২) পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে টেঁকসই জীব বৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকরপদক্ষেপ গ্রহণ,

১৩) পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মরযদায়  উদযাপন,

১৪) সময় সময়ে পরিবেশগত অবস্থানচিত্র প্রণয়ন (স্টেট অব এনভায়রনমেন্ট রিপোর্ট )ও বিতরণ,

১৫) পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষে বিভিন্ন সামাজিক/ সাংস্কৃতিক/ অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্তমুলক কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা,

১৬) পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রকল্প এবং গবেষণা কর্ম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

১৭) নিসিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ উদপাদন ও বাজারজাতকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন;

১৮) সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্প/ উদ্যোগ পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন পূর্বক পরিবেশগত মতামত প্রদান;

১৯) পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে সক্ষমতা তৈরির লক্ষে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, মতবিনিময় সভা, ইত্যাদি আয়োজন,

২০)দেশের প্রায় সকল মন্ত্রণালয় এবং তার অধীনস্থ দপ্তর সমূহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভুমিকা পালন।